সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নফসকে কিভাবে নিয়ন্ত্রন করবেন?

ঈমান যদি অন্তরে এসে যায় তাহলে অন্তরে তোলপাড় শুরু হয়ে যাবে আম যদি ভয়ের পরিভাষা ব্যবহার করি তাহলে নফস আর বিবেক বিবেকের মধ্যে সংঘর্ষ হবে। আপনার নফসে চাহিদা অন্য কিছু৷ ঈমান এটাকে বলতেছে ভুল ৷সংঘর্ষ হবে ?না হবে না।? এটা অন্তরের জিহাদ নিজের নফসের বিরুদ্ধে ৷ যেরকম ফেরাউন বলেছিল اليس لي ملك مصر وهذه الانهار تجري من تحتي আমি কি বাদশা নয় মিশরের ? মিশরের রাজত্ব কি আমার নয়? আর এই সমস্ত নদ-নদী যা আছে এসব আমার হুকুমে চলতেছে না ?এভাবে যদি খারাপ মনে না করেন ৷ আমাদের নফস বলতেছে এই শরীর আমার ৷আমার রাজত্ব এখানে আমার চাহিদা পূরণ করতে হইবে ৷ যেরকম সে ( অভিশপ্ত ফেরাউন )বলেছিল আমি জানিনা আমি ছাড়া কোন খোদা আছে এবং আমার উপর কোন খোদা আছে আমি মানি না৷ নফস ও বলে আমি মানতে রাজি নই কোনটা হালাল কোনটা হারাম কোনটা জায়েজ আর কোনটা নাজায়েজ ব্যস আমার চাহিদা পূরণ কর ৷ এই (নফসে)র বিরুদ্ধে জিহাদ ৷এই প্রথম স্তর এর এই অবস্থা ৷আর আপনাদেরকে জানা আছে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে ৷তো সর্বোচ্চ স্থানতো তৃতীয় স্তরের৷ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রথম স্তর ৷প্রথম মঞ্জিল হইলে দ্বিতীয়টা হইবে দ্বিতীয়টা যখন হবে তখন তৃতীয় টা হইবে৷ প্রথম স্তর এটাই আর এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৷এজন্য আল্লামা রুমি বলেছেন نفس مارا کمتر از فرعون نیست আমাদের নফস ও ফেরাউনের থেকে কোন অংশে কম নয় তবে তার কাছে সৈন্য ছিল আর সে জবানে বলে দিয়েছিল আমি খোদা ৷নফস বেচারা এর কাছে কোন সৈন্য নেই ৷জযানের দ্বারা ও সে কিছু বলেনি ৷ হালাল এবং হারামের প্রতি তার কোন গুরুত্ব নেই এই নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করা ৷হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন৷ المجاهد من جاهد نفسه সে প্রকৃত মুজাহিদ যে নিজের নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে৷ তোমাদের ভেতরে তো এই দুশমন বসে আছে অবস্থান করতেছে তোমাদের কন্ট্রোল করতেছে৷দুশমনের সাথে জিহাদ করার জন্য তোমরা ঘোড়ার সামনে ট্যাংক /কামান বেঁধেঁ দিয়েছো ৷একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল اي الجهاد افضل يا رسول الله হে আল্লাহর নবী ৷সবচেয়ে উত্তম জিহাদ কোনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ان تجاهد نفسك في طاعه الله নিজের নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করো তাকে আল্লাহর অনুগত বানাও এই যে অন্তরের তোলপাড় এ টা জিহাদ ফি সাবিলীল্লাহ এর শুরু ৷আল্লাহর অনুগত বানানো নসকে তার সাথে দুইটা সহযোগী আরও আছে ৷এই নফসকে পরোচারিত করে এমন একটি শক্তি ৷ unbeasible এবং visible৷ আনভিজিবল শক্তি হলো সবচেয়ে বড় অভিশপ্ত ইবলিস শয়তান এবং জীনজাতির মধ্য থেকে তার সহচর আর ভিজিবল এ মানুষের মধ্যে যারা ইবলিসের এজেন্ট ৷যারা অশ্লীলতাকে ক্যালচারের নাম দেয় ৷এরা ঐ ইবলিসের সহচর ৷এদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন না ৷??আপনি যদি এদের বিরুদ্ধে এগরেসি এটিটিউট গ্রহণ না করেন ৷তাহলে আপনি তাদের কাছে পরাজিত হয়ে যাবেন৷ ان الشيطان لكم عدوا فاتخذوه عدوا হে মানব সম্প্রদায় এই শয়তান তোমাদের দুশমন তাকে তোমাদের দুশমন মনে করো সে তোমাদেরকে সবুজ বাগিচা দেখায় খারাপ জিনিসকে সুসজ্জিত করে দেখায় ভালো ভালো নাম তার রাখে। اَفَتَتَّخِذُوۡنَهٗ وَ ذُرِّیَّتَهٗۤ اَوۡلِیَآءَ مِنۡ دُوۡنِیۡ افتتخذونه وذريته اولياء من دوني সে তোমাদের দুশমন ৷ তোমরা আমাকে ছেড়ে তাকে এবং তার সহচরদেরকেক্ষ নিজেদের বন্ধু বানাইতেছ? শয়তানের খেলাপ যুদ্ধ কর৷ আর তৃতীয় স্তর কী ? সমাজ ব্যবস্থা যদি এলোমেলো হয়ে যায়৷এর সাধারণ প্রবণতা খারাপের দিকে যায় ৷তাহলে সামাজিক পেশার(Social pressure) আপনাকে ঐদিকে ঠেলে দিবে ৷ যেমন কোন জানাযা যাইতেছে তো তার সাথে চলা তো অনেক সহজ ৷সে নিজেই আপনাকে ঠেলে নিয়ে যাবে ৷এর বিপরিত চলা অনেক কষ্টকর ৷হতে পারে অপনি অনেক কষ্টকরে চার কদম আগে চললেন পথচারীরা এসে ১০ কদম পিছনে নিয়ে গেলেন। তখন তো মাত্র দুইটি পথ খোলা থাকে زمانه به تو نسازم تو با زمانه ساز যামানা তোমার সাথে মিলে চলতেছেনা তুমি জামানার সাথে মিশে চলো ৷ যদি জামানা তোমার সাথে সামঞ্জস্য না করে তাহলে তুমি যামানার সাথে যুদ্ধ করো লড়াই করো প্রতিহত করো।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খালিদ বিন ওয়ালিদ রাযিঃ

খালিদ কে? ওয়ালিদের ছেলে৷ ওয়ালিদ কে? মুগীরার পুত্র৷ওয়ালিদ বিন মুগিরা কে ? তার সম্পর্কে কোরানে বলা হয়েছে, ৷খালিদের পিতা ওয়ালিদ বিন মুগীরা সম্পর্কে আয়াত রয়েছে। اِنَّهٗ فَكَّرَ وَ قَدَّرَ(18)فَقُتِلَ كَیْفَ قَدَّرَ(19)ثُمَّ قُتِلَ كَیْفَ قَدَّرَ(20)ثُمَّ نَظَرَ(21)ثُمَّ عَبَسَ وَ بَسَرَ(22)ثُمَّ اَدْبَرَ وَ اسْتَكْبَرَ(23)فَقَالَ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا سِحْرٌ یُّؤْثَرُ(24)اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا قَوْلُ الْبَشَرِﭤ(25)سَاُصْلِیْهِ سَقَرَ(26) এই খালিদও পাথরের পূজারি ছিলো। পাথরের সামনে মাথা নত করতো । কিন্তু যখন নবুওয়তের জ্যোতি অন্তরে অবতীর্ণ হলো। কালিমার (তাওহিদের )আলো বুকে প্রবেশ করলো৷এই পাথর পূজারির অন্তর যখন ইমানের নূর এলো তখন তিনি হয়ে গেল সাইফুল্লাহ। মুতা যুদ্ধ চলছিলো। মুতা মদীনা থেকে প্রায় সাতশ মাইল দূরে জর্ডানে একটি জায়গার নাম ৷সেখানে রোমিও সৈন্য একলাখ আর মুসলিম বাহিনি তিন হাজার । তিন হাজারের বাহিনী এক লাখের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত। আল্লাহর নবী সৈন্য পাঠিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন যে যায়িদ বিন হারিসা তোমাদের সেনাপতি। যদি যায়েদ বিন হারিসা শহীদ হন, তবে জাফর, আমার চাচার ছেলে...